There are 12 ways to reduce body weight.(শরীরের ওজন কমানোর ১২ টি উপায়।)

শরীরের ওজন কমানোর ১২ টি উপায়।
There are 12 ways to reduce body weight.

ভাল থাকবার জন্য শরীরের মেদ কমানোর বিকল্প কোন ব্যবস্থ্যা নেই।শরীরে মেদ বৃদ্ধির সাথে সাথে রোগ বালাই তৈরী হতে থাকে দেহের ভিতরে।আমাদের এই অমূল্য দেহ এক বারের জন্য তৈরী হয়েছে।ইচ্ছা করলেই বারে বারে মেশিনে দিয়ে তৈরী করা যাবে না। তাহলে কি করতে হবে? আমাদের আরো বেশি যত্নবান হতে হবে শরীরের প্রতি।
শরীরের বাড়তি মেদ নিয়ে আজকাল অনেকেই চিন্তিত। কখনও কখনও চিন্তা করের সমাধান পাওয়া যায় না।সুস্বাস্থ্যের জন্য তো বটেই, শারীরিক সৌন্দর্যের জন্যও নারী-পুরুষ উভয়েই ভাবেন ওজন কমাবেন। কিন্তু কর্মব্যস্ততার কারণে অনেক সময়েই ওজন কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যায়াম বা ডায়েট করা হয়ে ওঠে না।

তবে জানেন, কিছু সহজ কৌশল অবলম্বন করলে বাড়তি ওজন কমানো অতটা কঠিন নয়। আপনিও পারবেন ওজন কমাতে। চলুন তাহলে শুরু করা যাক নিয়মিত কিছু কাজ যা আমরা সহজেই করতে পারি।


১।পানি পান করুনঃ পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করলে শরীর আর্দ্র থাকে, এতে আপনার পেট ভরা এমন ভাবও তৈরি হবে। ক্ষুধাও কম লাগবে, এ কারণে আপনি কম খাবেন, ধীরে ধীরে ওজনও কমবে তাতে। দিনে অন্তত ১০ থেকে ১২ গ্লাস পানি পান করুন।
২। ফ্রিজ পরিষ্কার করুনঃ শুনে হাসি পাচ্ছে? ওজন কমানোর সঙ্গে আবার ফ্রিজ পরিষ্কারের সম্পর্ক কী? সম্পর্ক আছে। ফ্রিজ বা রান্নাঘরে যেসব উচ্চমাত্রার ক্যালরিসমৃদ্ধ খাবার রয়েছে বা ফাস্টফুড রয়েছে, সেগুলো সরান। এর বদলে স্বাস্থ্যকর খাবার রাখুন। রাখুন ফল ও সবজি। স্বাস্থ্যকর খাবার সামনে থাকলে এসব খাওয়ার অভ্যাসও ধীরে ধীরে তৈরি হবে।রাগ হচ্ছে বৈকি হা হা হা।
৩। চিনি ও শর্করা থেকে দূরেঃ চিনি বা মিষ্টিজাতীয় খাবার থেকে ১৫ দিন অন্তত দূরে থাকুন। পাশাপাশি শর্করাজাতীয় খাবার কম খান। ভাত, রুটি কম খান। এসব খাবার কম খেলে ওজন দ্রুত কমবে।
৪। প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খানঃ প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খাদ্যতালিকায় রাখুন। এতে পেশি স্বাস্থ্যকর হবে। প্রোটিন খাবার বাদ দিলে শরীরে এর বাজে প্রভাব পড়বে। ডিম, দুধ, মুরগির মাংস, ডাল খাদ্যতালিকায় রাখুন। তবে লাল মাংস (গরু, খাসি) এড়িয়ে চলুন।
৫। সবজি খান বেশি বেশিঃ খুব সহজ কথা। সবজি খেলে ওজন কমে। হ্যাঁ, তাই থালায় বেশি বেশি সবজি রাখুন। সবজির মধ্যে রয়েছে পুষ্টি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এগুলো শরীর ভালো রাখতে সাহায্য করে।
৬। ক্যালরি গ্রহণঃ আপনার শরীরের জন্য কতটুকু ক্যালরি দরকার, সে অনুযায়ী ক্যালরিসমৃদ্ধ খাবার খান। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
৭। খাবার বাদ দেবেন নাঃ না খেয়ে কিন্তু ওজন কমানো যায় না। তাই কোনো বেলার খাবারকে বাদ দেওয়া যাবে না। দিনে অন্তত ছয়বার খান। তিনবেলা বড় খাবার ও তিনবেলা ছোট খাবার—এভাবে খাবারকে ভাগ করুন। একেবারে খুব বেশি না খেয়ে অল্প পরিমাণ খাবার খান।
৮। ফাস্টফুডকে না বলুনঃ প্রক্রিয়াজাত খাবার, ফাস্টফুড, কোমল পানীয়, সোডা—এই খাবারগুলোকে একেবারে না বলুন। এগুলোর মধ্যে উচ্চ পরিমাণ ক্যালরি থাকে, এতে ওজন বাড়ে।
৯। ছোট থালায় খানঃ বড় থালায় খেলে বেশি খাওয়া হয়ে যায়। তাই ছোট থালায় খান। খাবার কম খেতে চামচও ব্যবহার করতে পারেন। হাত দিয়ে খেলে বেশি খাবার একবারে আপনি মুখে দেন। হাতের বিকল্প চামচ ব্যবহার করলে খাবার কম গ্রহণ করা হয়।
১০। আয়নার সামনে বসে খানঃ শুনতে হয়তো অদ্ভুত লাগছে, তবে গবেষণায় বলা হয়, যেসব লোক আয়নার সামনে বসে খায়, তাদের ওজন দ্রুত কমে। কীভাবে? তারা নিজেকে দেখতে থাকে আর ভাবতে থাকে, ওজন কমানো দরকার। এই ভাবনা কাজে দেয় কি না, একবার পরীক্ষা করে দেখতে পারেন!
১১। হাঁটুনঃ ওজন কমাতে হাঁটার কোনো বিকল্প নেই। আর হাঁটা তো কেবল ওজনই কমাবে না, কমাবে হৃদরোগের ঝুঁকিও। বিষণ্ণতা বা মন খারাপ ভাবও কমে যাবে অনেক।
১২.।একটু কম খানঃ আগে যেখানে হয়তো তিনটি রুটি খেতেন, সেখানে একটি রুটি খান বা যেখানে এক থালা ভাত খেতেন, সেখানে এক কাপ ভাত খান। এর বদলে পেট ভরুন সবজি আর ফল দিয়ে।

একটু কষ্ট করে দেখুন ভাল ফল পাবেন।আমি চাই আপনার সকলে স্বুস্থ্য থাকুন। ধন্যবাদ।


Comments

Popular posts from this blog

Imgamma - Download V2 - PIN (CH)

চিকুনগুনিয়া তো সেরেছে কিন্তু ব্যথা সারেনি।কি করবেন? Chikunagunya fever is good but pain is not good. What will you do?

The 10 Symptoms of Cancer"It is possible to easily detect. “ক্যান্সারের যে ১০টি লক্ষণ” সহজেই সনাক্ত করা সম্ভব